• শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
  • English English
শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমায় ইন্টারনেট প্রোভাইডার্স এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ সাবেক ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জি এম আজমের ভাই এর মৃত্যুতে মহানগর জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ৭১ এর শোক প্রকাশ ব্লাড ডোনার টিম সিলেট ও ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার এর যৌথ উদ্যোগ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত চৌদ্দগ্রামে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত তারেক গ্রেফতার, জেলহাজতে প্রেরণ। হাজী ইয়াছিনের ” মায়ের” দাফন সম্পন্ন দেশ ও জাতীর কল্যাণে অগ্রণী ভুমিকা রাখতে নবগঠিত জিয়া সাইবার ফোর্স, সিলেট জেলা আহবায়ক কমিটির কার্যক্রম শুরু রায়হান হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে উই আর ন্যাশনালিস্ট এর মানববন্ধন পুলিশের এসআই আকবর, নায়ক না খলনায়ক? চৌদ্দগ্রামে ছেলের হাতে মা খুন, ঘাতক আটক। চৌদ্দগ্রামে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের ২০২০ উদ্বোধন

চৌদ্দগ্রামে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত তারেক গ্রেফতার, জেলহাজতে প্রেরণ।

admin / ১২ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০

এম এ আলম,চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:চৌদ্দগ্রামে কোচিং সেন্টারে আটকে রেখে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে বারবার ধর্ষণের কারণে সন্তানের প্রসবের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক তারেকুর রহমান বাবুকে ও তার ভাই তৌহিদুর রহমান কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের দর্জি বাড়ির রেজাউর রহমানের ছেলে। এর আগে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩নং আদালতে অভিযুক্ত শিক্ষকসহ ৫ জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রে জানা গেছে, আদালতে ধর্ষণের মামলাটি রজু হওয়ার পর পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ্ আল মাহফুজ আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ত্রিনাথ সাহাসহ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনির হোসেন, সঙ্গীয় এএসআই সাইদুর রহমান ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি অভিযান টিম গঠন করেন। ওই টিম প্রথমে ঢাকা ও পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক অভিযুক্ত শিক্ষক তারেকুর রহমান ও তার ভাই তৌহিদুর রহমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষক তারেক ভিকটিম ওই স্কুল ছাত্রীর সম্পর্কে খালাতো ভাই। ছুটির পর কোচিং সেন্টারে পড়ার নামে কৌশলে রেখে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শিক্ষক তারেক। এ সময় সে ধর্ষণের ছবি ধারণ করে রাখে। পরে এসব ছবি ইন্টারেনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তারেক আরও কয়েকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। গত ২৪ এপ্রিল সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে ফেনী জেলা সদরের একটি ডায়াগনাস্টিক সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাম করালে অন্তঃসত্ত্বা রিপোর্ট আসে। ভিকটিম ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় আদালত পর্যন্ত গড়ায়।ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী জানান, কোচিং সেন্টারে পড়ার সময় তারেকুর রহমান তাকে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে একাধিকবার ধর্ষণ করে। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে এ ঘটনা তিনি কাউকে বলেননি। পরবর্তীতে মেয়ের ধর্ষিতা হওয়ার ঘটনার বিচার চাইতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান মেয়েটির বাবা। এই নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল শালিস বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে বিয়ে করতে হবে ধর্ষক তারেকুরকে। তারেক তাতে রাজি হয়ে আশ্বাস দেয়, বাচ্চা ভূমিষ্ট হওয়ার পর বিয়ে করবে। কিছু দিন অতিক্রম হলে ধর্ষক বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দিয়ে ব্যর্থ হয়। এরপর গত ১২ আগস্ট ওই ছাত্রী একটি পুত্র সন্তান প্রসব করে। কিন্তু বিয়ের পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবারও শালিস বৈঠক বসলে ধর্ষক ও তার স্বজনরা বিয়েতে অস্বীকার করে। পরে ভুক্তভোগীর বাবা শিক্ষক তারেকুরসহ ৫ জনকে আসামি করে আদালতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলো: লক্ষীপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন, তারেকুর রহমানের ভাই তৌফিকুর রহমান, তৌহিদুর রহমান ও রমজান আলী ভূঁইয়া।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিশাত সালাউদ্দিন জানান, ‘কোচিং সেন্টারে ধর্ষণের ঘটনায় ৩নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিস্তারিত শুনানির পর মামলাটি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাকে তদন্তসহ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার আদেশ দেন’।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category